এই বইটিতে যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা টপিক বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে, তার একটি সারসংক্ষেপ নিচে দেওয়া হলো:
১. প্রাচীন গ্রিক দর্শন (Ancient Greek Philosophy)
- প্রাক-সক্রেটিস যুগ: থেলিস, অ্যানাক্সিম্যান্ডার, পিথাগোরাস, হেরাক্লিটাস এবং পার্মেনাইডিসের মতো আদি দার্শনিকদের বিশ্বতত্ত্ব বা তত্ত্ববিদ্যা।
- সক্রেটিস: তাঁর বিখ্যাত প্রশ্নোত্তর পদ্ধতি (Socratic Method) এবং ‘জ্ঞানই পুণ্য’ (Knowledge is Virtue) সংক্রান্ত মতবাদ।
- প্লেটো: প্লেটোর বিখ্যাত ‘ধারণাবাদ’ (Theory of Forms/Ideas) এবং গুহার রূপক (Allegory of the Cave)।
- অ্যারিস্টটল: তাঁর কারণতত্ত্ব (Theory of Causation), আকার ও উপাদান তত্ত্ব (Matter and Form), এবং ঈশ্বরতত্ত্ব।
২. মধ্যযুগীয় দর্শন (Medieval Philosophy)
- ঈশ্বর বিশ্বাস ও যুক্তির সমন্বয়।
- সেন্ট অগাস্টিন এবং সেন্ট থমাস অ্যাকুইনাসের দর্শন এবং ঈশ্বরের অস্তিত্বের সপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি।
৩. আধুনিক পাশ্চাত্য দর্শন (Modern Western Philosophy)
আধুনিক যুগের দর্শনে মূলত দুটি প্রধান জ্ঞানতাত্ত্বিক ধারার বিশদ বিশ্লেষণ রয়েছে:
- বুদ্ধিবাদ (Rationalism):
- দেকার্ত (Descartes): সংশয় পদ্ধতি (Method of Doubt) এবং তাঁর বিখ্যাত উক্তি “আমি চিন্তা করি, অতএব আমি আছি” (Cogito, ergo sum)।
- স্পিনোজা (Spinoza): সর্বেশ্বরবাদ (Pantheism) এবং একদ্রব্যবাদ (Substance)।
- লাইবনিজ (Leibniz): মনাড বা চিৎপরমাণুবাদ (Theory of Monads)।
- অভিজ্ঞতাবাদ (Empiricism):
- লক (John Locke): সহজাত ধারণার খণ্ডন, মনকে ‘খালি স্লেট’ (Tabula Rasa) হিসেবে বর্ণনা এবং মুখ্য ও গৌণ গুণের পার্থক্য।
- বার্কলে (George Berkeley): আত্মগত ভাববাদ এবং তাঁর মূল সূত্র “অস্তিত্ব প্রত্যক্ষনির্ভর” (Esse est percipi)।
- হিউম (David Hume): সংশয়বাদ, কার্য-কারণ তত্ত্বের সমালোচনা এবং অলীক বিশ্বাসের খণ্ডন।
৪. কান্টের বিচারবাদ (Kant’s Critical Philosophy)
- বুদ্ধিবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন।
- কান্টের বিখ্যাত মতবাদ—”ধারণা ছাড়া অভিজ্ঞতা অন্ধ, এবং অভিজ্ঞতা ছাড়া ধারণা শূন্য।”
- প্রাক-সিদ্ধ ও পরত-সাধ্য জ্ঞানের বিচার।
Reviews
There are no reviews yet.